নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৭১ এর সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের অফিস উদ্বোধন ও আলোচনা সভা

গ্রাম বাংলা

আব্দুল মালেক, নীলফামারী প্রতিনিধি//নীলফামারী সৈয়দপুরে ৭১ এর সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের উপজেলা কমিটির নতুন অফিসের শুভ উদ্বোধন অনুষ্টিত হয়। শুক্রবার সন্ধায় ফিতা কেটে অফিসের শুভ উদ্বোধন করলেন, অনুষ্টানের প্রধান অতিথি একাত্তরের সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি মোঃ সফিয়ার রহমান। সৈয়দপুর উপজেলার সভাপতি মাহবুবার রহমান দুলুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা সহসভাপতি  জেলা সহ-সভাপতি আনোয়ার শাহ ফকির, সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আলী, কার্যকরী সদস্য আলহাজ্ব হান্নান শাহ, তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালেক ও ডিমলা উপজেলার সভাপতি কৃষ্ণ সিংহ রায়। এছাড়াও সৈয়দপুর উপজেলার কার্যকরি সভাপতি নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালি, হাজী আব্দুল হামিদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম (খুশি), সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু আর্মি, কার্যকরি সদস্য শেখ আব্দুল হালিম ও ডাঃ আফসার ( দুলাল) হোসেনসহ অন্যান্য সদস্য বৃন্দু এসময় উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্টান সঞ্চালনায় ছিলেন, সদস্য সাংবাদিক ওবাইদুল ইসলাম। 


অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ সফিয়ার রহমান ১৫ আগস্ট শোক দিবস ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বর্ণনা দিতে গিয়ে আবেগ আপ্লুত কন্ঠে বলেন,আমরা একাত্তরের যুদ্ধ দেখেছি, কি নির্মম পরিহাস। ১৯৭৫ সালের সেই ভয়াবহ রাত ১৫ আগস্টের কি পরিহাস যা চোখে ভাসলে শরীর শিউরে যায়। তিনি বলেন, সেইদিন সেই ছোট্ট রাসেলের করুন আকুতির কথা, মাকে পর্যন্ত দেখা করতে দেয়নি পাষণ্ডের দল। স্বাধীনতার বাহক, স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শিশু রাসেলসহ পরিবারের সব সদস্যকে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে তাদেরকে হত্যা করে পাকিস্তানী দোষররা। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বিদেশে থাকায় তাদেরকে মারতে পারেনি, আল্লাহর কি অসিম রহমত। তিনি আরো বলেন, ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বাংলার “মা” শেখ হাসিনাকে মারার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু পারেনি। সেদিন অনেক নেতাকর্মী তাদের নিজের জীবন বাজী রেখে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনাকে রক্ষা করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *