সোনাইমুড়ীতে কথিত ভাগ্নির জামাই খালাকে নিয়ে উধাও অত:পর অপহরন মামলা

ক্রাইম রিপোর্ট


জসিম উদ্দিন, সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে কথিত ভাগ্নির জামাই খালাকে নিয়ে পালিয়েছে। পরে তাদের উভয়কে অনৈতিক অবস্থায় আটক করে উত্তম-মধ্যম দিয়ে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের পদিপাড়া গ্রামের সড়কে। পরে বুধবার সকালে থানা পুলিশ খালার সহোদর আবুল খায়ের বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় অপহরন মামলা দিয়ে সালমানকে আদালতে পাঠিয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধন্যপুর গ্রামের আবদুল মতিনের স্কুল পড়–য়া নাতনি ও উপজেলার ছনগাঁও গ্রামের মনির হোসেনের মেয়ে মনিয়া আক্তারের সাথে পার্শ্ববর্তী কৌশল্যারবাগ গ্রামের আনোয়ারুল বাছিরের ছেলে ও ছনগাঁও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজী বিষয়ের শিক্ষক সালমানের সাথে প্রেমের স¤পর্ক রয়েছে। এরই সূত্র ধরে বিগত রমজান ঈদের পূর্বে তার নাতনি ঐ শিক্ষকের সাথে পালিয়ে গিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। এক পর্যায় উভয়ের কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। পরে তার মা কুলছুম বেগম বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় অপহরনের অভিযোগ এনে একটি অভিযোগ দায়ের করলে থানা পুলিশ চাটখিল থেকে তাদের উভয়কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার মা বাদী হয়ে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে সোনাইমুড়ী থানায় একটি অপহরন মামলা দায়ের করেন। যার জিআর নং-৮৩৭। এই মামলায় সে দীর্ঘ তিন মাস হাজত বাস করে জামিনে আসে। পরে ঐ ছাত্রীর খালা সেলিনা আক্তার সুমির সাথেও সে সর্ম্পক গড়ে তুলে। বিগতমঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে স্থানীয় আলী আকবর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ছাত্রী সুমি ঐ ছেলের সাথে পালিয়ে গিয়ে আমিশাপাড়া ইউপির পদিপাড়া গ্রামের সড়কের পাশে গাছের পিছনে অনৈতিক কর্মকান্ড শুরু করে। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে সন্দেহ করে তাদের ধরে উত্তম-মধ্যম দিয়ে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানার এএসআই আল আমিন ঘটনাস্থল থেকে তাদের উভয়কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনায় ছাত্রীর মামা সাংবাদিক আবুল খায়ের বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় অপহরনের অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-৩৮, তাং-২৫-০৯-২০১৯ইং।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি আব্দুস সামাদ জানান, এলাকাবাসী আটক করে তাদের উভয়কে পুলিশে দিয়েছে। এই ঘটনায় থানায় অপহরন মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই পরিবারটি এই পর্যন্ত ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ২টি অপহরন মামলা দায়ের করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *