সিটি মেয়র লিটন, কমিশনার নজরুল ও ভূমিদস্যু মোস্তাকের অডিও ক্লিপ এখন সর্বত্র ভাইরাল

ক্রাইম রিপোর্ট

প্রসংঙ্গঃ রাজশাহী ডেসটিনির বর্ণালী সিনেমা হল



ভ্রম্যমান প্রতিনিধি; মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছেন। তখনই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে দলীয় পরিচয়ে রাজশাহীর কতিপয় ভূমিদস্যু, বালুদস্যু সহ তাদের গডফাদাররা। সর্বোচ্চ আদালতের আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে এরা ডেসটিনির শত শত কোটি টাকার সম্পদ দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এমন অবস্থার সৃষ্টি করেছে “ওলট পালট করে দে মা লুটেপুটে খাই”। রাজশাহীতে ডেসটিনির ৫৬ কাটা বর্ণালী সিনেমা হলের জায়গা অবৈভাবে রাজশাহী সিটি মেয়র এ, এইচ, এম খায়রুজ্জামান লিটন দখল করে অস্থায়ী গাড়ীর গ্যারেজ নির্মাণ করে প্রমান করলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ থোরাই কেয়ার করি। অন্যদিকে মাঠের বাকী অংশ দখল করে এবং ডেসটিনির সাইন বোড মুছে ফেলে সেখানে ইট বালু, রড সহ ইত্যাদি রেখে ব্যবসা করছেন এলাকার বালুদস্যু নামে খ্যাত আওয়ামী লীগের নেতা মোস্তাক আহমেদ ও পৌর কমিশনার নজরুল ইসলাম।
তাদের ভাবখানা এমন “লাঙ্গল যার জমি তার” এমনই অবস্থার সৃষ্টি করেছে এই ভূমিদস্যুদ্বয়। ঘটনার পর থেকে বিষয়টি এখন রাজশাহী সহ সারাদেশে স্যোসাল মিডিয়ার টক অব দ্য টাউন এ পরিণত হয়েছে।
তিন জনের বক্তব্য তিন রকম। একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ যেমন দিচ্ছে তেমনি সিটি মেয়র লিটনের মন্তব্য নিয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি নাকি ডেসটিনির সম্পদ রক্ষা করার জন্যই সেখানে অস্থায়ী গাড়ীর গ্যারেজ নির্মাণ করেছেন। অদ্ভুত বিষয় একজন মেয়রের এই বক্তব্যে নিয়ে সচেতন মহলের মাঝে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা এইভাবে বলেন, ডেসটিনির সম্পদ রক্ষার নামে মেয়র সেখানে কখনো অবৈধভাবে গ্যারেজ নির্মাণ করতে পারেন না। তার বক্তব্যে যদি কেহ ডেসটিনির সম্পদ দখল করেন বা করতে যান সেখানেতো মেয়র সাহেব প্রতিহত করবেন। এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়ন করবেন। অথচ রক্ষক যখন ভক্ষক হয় তখন সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে।
বিষয়টি নিয়ে এখন স্যোসাল মিডিয়ায়
প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সিটি মেয়রের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, ভূমিদস্যু মোস্তাকের অডিও ক্লিপ এখন সাংবাদিকদের হাতে। তারা অপকর্মের বিষয়টি এড়িয়ে যাবার জন্য বলেছে, ডেসটিনির সম্পদ কাদের দায়িত্বে আছে তারা জেনেন না। এমনকি তাদেরকে নাকি তারা পান নাই। অথচ যারা সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ কমিটির দায়িত্বে আছেন, তাদের বক্তব্য তারা বারবার মেয়রের কাছে গেছে। এবং বিষয়টি তাঁকে জানিয়েছেন। কিন্তু মেয়র কোন গুরুত্ব দেননি।
বরং দলীয় পরিচয়ে ভূমিদস্যুরা এটা গনিমতের মাল মনে করে পাক হানাদার বাহিনী রাজাকারদের মত সম্পদ দখল করেছে।
এ ব্যাপারে তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। উল্লেখ্য যে, ডেসটিনির সারা দেশে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ এবং দেখভালের জন্য শীর্ষ সর্বোচ্চ বিজ্ঞ আদালত নির্দেশ দেন দুদককে। আর দুদকের পক্ষে দায়িত্ব পালন করছেন, পুলিশ কমিশনার। ফলে পুলিশের উপরে দায়িত্বে থাকাকালীন কিভাবে একজন জনপ্রতিনিধি সহ ভূমিদস্যুরা রাজশাহীতে সম্পদ দখল করল সে বিষয়টি পুলিশের গাফিলতি আছে কিনা খতিয়ে দেখা দরকার। এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিজ্ঞ আদালতের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন, ভুক্তভোগী ডেসটিনির ৪৫ লক্ষ ডিস্ট্রিবিউটর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *