মনিরামপুর ইউপি নির্বাচন বিদ্রোহী প্রার্থী ও তার ভাইকে পিটিয়ে আহত,থানায় মামলা, গ্রেফতার ২

ক্রাইম রিপোর্ট

মোঃ আব্দুর রহমান, মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার হরিদাসকাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের
সাধারণ সম্পাদক ও আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিদ্রোহী
প্রার্থী আলমগীর কবির লিটন এবং তাঁর ভাই জাহাঙ্গীর কবীর হামলার শিকার
হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার হোগলাডাঙা
বাজারে ঘটনাটি ঘটে। রাতে আহত দুই ভাইকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়েছে।
হামলার শিকার জাহাঙ্গীর কবিরের অভিযোগ, নৌকার প্রার্থী বিপদ ভঞ্জন
পাড়ের পক্ষে বর্ধিত সভা শেষে ফিরে আসা বহর হোগলাডাঙা বাজারে
তাঁদের একা পেয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করেছে। এ দিকে হামলার
ঘটনায় মনিরামপুর থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে দ্#ু৩৯;জনকে
গ্রেফতার করেছে। তাঁরা হলেন, হোগলাডাঙা গ্রামের শাহাদাত হোসেনের
ছেলে শাহিন হোসেন ও দেবিদাসপুর গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে আল
আমিন।বুধবার (১০ নভেম্বর) এ ঘটনায় ১১ জনের নামে থানায় মামলা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে হরিদাসকাটি ইউনিয়নের
হাজিরহাট মোড়ে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে বর্ধিত সভা হয়। উপজেলা
আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন
লাভলু সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন। রাত ৮ টার দিকে বর্ধিত সভা শেষে বহর
নিয়ে মনিরামপুর বাজারে ফিরছিলেন প্রধান অতিথি।পথিমধ্যে, বহর
হোগলাডাঙা বাজারে আসলে সেখানে দেখা মেলে বিদ্রোহী প্রার্থী
আলমগীর কবির লিটনের সাথে। নৌকার বিদ্রোহী হওয়ায় বহরের পক্ষ থেকে
লিটনের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নৌকার প্রার্খী ও বিদ্রোহী
প্রার্থী লিটনের সমার্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।এ সময় নৌকার
সমার্থকরা লিটনকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। তখন লিটনের
সমর্থকরা এসে আমজাদ হোসেন লাভলুর গাড়ি ভাঙচুর করে। জাহাঙ্গীর কবীর
বলেন, মনিরামপুর বাজার থেকে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পথে বিপদ ভঞ্জন পাড়ে ও
তার লোকজন আমাকে একা পেয়ে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করেন। এর আগে
আমার ভাইকে মারপিট করেছে তাঁরা। এদিকে বিপদ ভঞ্জন পাড়ে বলেন, সভা
থেকে ফেরার পথে হোগলাডাঙা বাজারে চা পান করতে বসেন সাবেক
উপজেলা চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলু। তখন পাশের দোকানে বসে
নৌকা নিয়ে কটূক্তি করেন লিটন। লিটনের কথার প্রতিবাদ করলে বাকবিতণ্ডা
শুরু হয়। এতে লিটনের ভাই জাহাঙ্গীর আমজাদ হোসেন লাভলুর ব্যক্তিগত
গাড়িতে হামলা করে। হামলায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রক্ষা পেলেও তার
গাড়ির গাস ভেঙে যায়। পরে লিটন ও তাঁর ভাই মারপিটের শিকার হন।
মনিরামপুর থানার ওসি (সার্বিক) নূর-ই-আলম সিদ্দীকি বলেন, আলমগীর

কবীর লিটন ও তাঁর ভাইকে মারপিট করার ঘটনায় তাদের পিতা আব্দুর রশিদ
বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *