1. sokalerbangla@gmail.com : admin :
  2. Jahid0197@gmail.com : jahid hasan : jahid hasan
  3. sholimuddin1986@gmail.com : Sholim Uddin : Sholim Uddin
February 29, 2024, 9:52 am
Title :
পিপিএম পদক পেলেন রাজশাহীর সহকারী পুলিশ সুপার সোহেল রানা চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির যতসব ইতিকথা সে যা বুঝে সেটাই তার কাছে ভালো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমবায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী। অফিস চলবে রমজানে সকাল ৯ টা থেকে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত। সিংগাইর থানার চান্দহর ইউনিয়নের আটিপাড়ায় তিন প্রতিবন্ধীর বাবাকে খুনের ঘটনায় ৯ জন গ্রেফতার। ঢাকা বারের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু দুর্নীতি মামলায় সাজা কমেছেমামলা দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি রাউজান এলাকার আসামী ২৭ বছর পর সিইপিজেড এলাকা থেকে গ্রেফতার — র‌্যাব ৭ চট্টগ্রাম নগরীর টাইগারপাসে হকারদের সড়ক অবরোধ কদমতলা পলাশ নরসিংদী সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত

৬৯,৭১ স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলন মাধ্যমে আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। – বিএসপিপি

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, December 23, 2023,
  • 25 Time View


আল হাসান মোবারক
স্টাফ রিপোর্টের
আজ ২২ ডিসেম্বর শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অসহযোগ আন্দোলনের সহযোগিতার জন্য জনগণের মাঝে লিফটে বিতরণ পূর্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ (বিএসপিপি)।
সভা সঞ্চালনায় করেন, সদস্য সচিব (বিএসপিপি) কাদের গনি এবং উপস্থিত ছিলেন (বিএসপিপি’র) সভা সভাপতি ছিলেন আহবায়ক( বিএসপিপি) ডাঃ এ জেড এম জাহিদ।
আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরীর সঞ্চালণায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিষদের নেতা অধ্যাপক ড. আব্দুল কুদ্দুস, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, ইঞ্জি. রিয়াজুল ইসলাম রিজু, ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলম, অধ্যাপক ড. এমতাজ আহমেদ, সাংবাদিক সৈয়দ আফজাল হোসেন ও আমিরুল ইসলাম কাগজী। মোঃ শহিদুল রহমান শহীদ মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র এর তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক। ডাঃ এ এইচ মোবারক সদস্য সচিব বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক জাতীয় ঐক্য জোট।
সভাপতিত্বের বক্তব্যে ডাঃ এ জেড এম জাহিদ বলেন সরকার ও শেখ হাসিনা তাদের জনগণের প্রতি আস্থা নেই, জনগণের প্রতি বিশ্বাস নেই, জনগণের অধিকারের কোন মূল্য নেই, আমরা এই জনগণের অধিকার ও মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যই আজকে আমাদের এই আন্দোলন, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এর গণতন্ত্রের পক্ষে ভোটের পক্ষে, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে আজকে এই অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান করছে।
বাংলাদেশের মানুষ, ১৯৬৯, ১৯৭১ ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারী বিদায়ের শেষ বিদায়ের মাধ্যম হিসেবে অসহযোগ দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন , আমরাও এই অসহযোগ আন্দোলন স্বৈরাচারী শাসক কে বিদায়ের উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি।
আজকে কেউ কেউ বলেন আপনারা নাকি টেলিফোন লাইন, ইলেকট্রিক লাইন কেটে দিবেন। আমরা শুনেছিলাম আপনারা বঙ্গভবনে
অক্সিজেন বন্ধ করে দিবেন এ-ই ধরনের বক্তব্য আপনাদের কাছ থেকেই শোনা যায়। আমাদের কর্মসূচি অল্পদিনের দুই থেকে তিন সপ্তাহের কর্মসূচি অতএব ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।
তিনি আরো বলেন এ সরকারকে সকল ক্ষেত্রে অসহযোগিতা করতে হবে।
৭ জানুয়ারী জনগণ এই ভোটে প্রত্যক্ষ করবে। কতিপয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধারা জুলুম নির্যাতন করে আপনি টিকে থাকতে পারবেন না। হিটলারের টিকে থাকতে পারে নাই।
তিনি আরো বলেন দেওয়াল লিখন পড়ছেন না, দেওয়াল লিখন পড়তে শিখুন, জনগণে মনের ভাষা শুনুন, এবং ডামি নির্বাচন বন্ধ করুন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা ছেড়ে দিন জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।
জনগনে উদ্দেশ্যে বলেন ৭ জানুয়ারি ডামী ভোটের খেলা বর্জন করুন।
ভোট গ্রহণে নিযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীগণ দায়িত্ব পালনে বিরত থাকুন।
সরকারকে সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা, ইউটিলিটি বিল ও অন্যান্য প্রদেয় স্থগিত রাখুন।
ব্যাংকগুলো সরকারের লুটপাটের অন্যতম মাধ্যম বিধায় ব্যাংকে লেনদেন যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।
রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ মিথ্যা ও গায়েবী মামলায় অভিযুক্তগণ মামলায় হাজিরা দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
জনগণের আন্দোলনের ফলে দেশে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা হলে এইসব অসহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্থগণ যথাযথ ক্ষতিপুরণ এবং সুবিচার পাবেন।
স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে আমাদের অনেক সাথী জীবন দিয়েছেন, গুম হয়েছেন, বন্দী ও আহত হয়েছেন। কিন্তু গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াই চলছে ও চলবে। জনগণের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও লড়াইয়ের বিজয় অবশ্যম্ভাবী ও অনিবার্য।
অন্যান্য বক্তাগণ বলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত গণতন্ত্র হলে, বলে, কৌশলে হত্যা করে গত ১৫ বছর ধরে বিনাভোটে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার সীমাহীন দুর্নীতি, অনাচার, নির্যাতন ও অপশাসন চালিয়ে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে ধংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
বিরোধী মত দমনের জন্য গুম, খুন, গায়েবী মামলাকে হাতিয়ার ব্যানিয়ে দেশে এক নিকৃষ্ট স্বৈরশাসন কায়েম করেছে। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জনগণের ভোট লাগে না হলে এই সরকারের কাছে জনগণের আশা, আকাঙ্ক্ষা , প্রয়োজন কিংবা অসন্তুষ্টির কোন মূল্য নেই। ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য সমাজের কিন্তু দুর্নীতিগ্রস্থ ধনী, আমলা, পুলিশ এবং দলীয় ।

নেতাকর্মী দিয়ে জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন দমন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এরা দেশের সম্পদ লুট করে দেশে বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়ছে আর জনগণ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও ক্ষমতাসীনদের অত্যাচার-চাদাবাজীর শিকার হয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে।
দেশের পুঁজিবাজার, ব্যাংক, বীমা- এমনকি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করা হয়েছে। মেগা প্রকল্পের নামে
মেগা দুর্নীতি ও অপচয় করা হয়েছে। ফলে একদিকে যেমন দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে এবং খেলাদী ও মন্দ ঋণের করলে পড়ে দেশের ব্যাংকগুলো বন্ধ হওয়ায় পথে; অন্যদিকে ক্ষমতাসীনদের সুবিধাভোগীরা বিদেশে সেকেন্ড হোম, বেগমপাড়া, গুলশান-৩ বানাচ্ছে এবং সুইস ব্যাংকসহ বহুদেশে টাকা পাচার করছে।
দেশের কৃষকগণ তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পায় না অথচ প্রতিদিনই কৃষি ও ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ছে। শ্রমিকেরা ন্যায্য মজুরী পায় না অথচ প্রতিবাদ করলেই রাজপথে তাদের রক্ত ঝড়ছে। ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ীরা নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। প্রবাসে শ্রমিকদের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর কেও নেই। অথচ এরাই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের প্রধান শক্তি। কিন্তু গণতন্ত্র। না থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠের কোন মূল্য থাকে না বলেই এদের আজ কোন মূল্য নেই। আমরা গণতন্ত্র চাই এই সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং দুস্থ মানুষের মূল্য নিশ্চিত করতে।
আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের নামে যে খেলার আয়োজন করা হচ্ছে তা শুধুই সরকারের অবৈধ ক্ষমতার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য। এই নির্বাচনে সরকারবিরোধী কোন রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে না। প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের গণদাবীকে জোর করে উপেক্ষা করার ফলে এই নির্বাচনে জনগণের কোন আগ্রহ নেই।

গণতান্ত্রিক বিশ্ব এমন একতরফা নির্বাচনী গ্রহসনের অশুভ পরিণাম নিয়ে উৎকণ্ঠা ও সতর্কতা জানিয়েছে।
কিন্তু ক্ষমতাসীন অবৈধ সরকার জাতীয় সংসদের কিছু আসন তাদের দুর্নীতি-অনাচারের অংশীদার অনুগত দলগুলোকে অনুদান হিসেবে দিয়ে তথাকথিত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের তামাশা করতে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে তারা কিছু ডামী প্রর্থীকে নির্বাচনে রেখে এক নতুন হাস্যকর দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে।

আমরা দেশবাসীকে সত্যিকারের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ন্যায্য দাবীর প্রতি অটল থেকে এই আসন ভাগাভাগির তামাশ্যপূর্ণ নির্বাচন বর্জন করার আহবান জানাচ্ছি। জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া এই নির্বাচন সফল হবে না। শুধু নিজেদের অনুপস্থিতি দিয়ে গণতন্ত্রকামী জনগণ নির্বাচনের নামে এই নোংরা খেলা ব্যর্থ করে দেবেন। ফলে শীঘ্রই জনগণের অংশগ্রহণে একটি অবাধ নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।

যে অবৈধ সরকার জনমতের বিরুদ্ধে নির্বাচনের নামে তামাশা করতে যাচ্ছে- সেই সরকারকে সহযোগিতা করা কোন দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী নাগরিকের জন্য উচিত হতে পারে না বলেই আমরা আজ এই মুহুর্ত থেকে এই অবৈধ সরকারকে অসহযোগিতা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved dailychoukas.com 2018
Theme Customized BY LatestNews