Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার: রাকিবুল ইসলাম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আট দলের উদ্যোগে আজ রবিবার ৩০.১১.২০২৫ বিকাল ২.৩০ টায়, রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে এক বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশ থেকে ৮ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।এখনো সময় আছে-জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের তারিখ পরিবর্তন করুন- দাবি করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন, সরকার নির্বাচনের যে ডেটলাইন ঘোষণা করেছে, তা আমরা মেনে নিয়েছি। নির্বাচনে যেতে আমরা প্রস্তুত; কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, সে প্রশ্ন এখন জাতির সামনে। তিনি বলেন, সরকারের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির কুপরামর্শে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একইদিনে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আট দলের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের শরিক ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করাসহ পাঁচ দফা দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের সব বিভাগীয় শহরে পর্যায়ক্রমে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে; তার প্রথমটি ছিল রাজশাহীতে।সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কিছু ব্যক্তির কু-পরামর্শে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টা ও ঐকমত্য কমিশনের চেয়ারম্যানকে একাধিকবার জানিয়েছি-একই দিনে এ দুটি ভোট হলে কী ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে। তারপরও আমাদের দাবি মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারকে সংকটে ফেলতে চাই না। নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই কথা বলে যাচ্ছি। এখনো সময় আছে-জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের তারিখ পরিবর্তন করুন। জনগণের ম্যান্ডেটকে নষ্ট করার কোনো চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না। জুলাই সনদের আলোকে আগে গণভোট, পরে পার্লামেন্ট গঠিত হবে। এই ক্রমে কোনো পরিবর্তন জনগণ মেনে নেবে না।সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন।বক্তারা তাদের ৫-দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সমাবেশকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।