নিজস্ব প্রতিবেদক:
আজ সকাল ১০ ঘটিকায় ৮৯ নং কেওয়া পশ্চিম খণ্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অভিভাবক কমিটি গঠন উপলক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিটিএ কমিটির সভাপতি ও ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ফরিদা ইয়াছমিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহমুদুল হাসান আলাল, সাবেক সভাপতি, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লুৎফর মন্ডল, সভাপতি, প্রলয়-শিখা সাহিত্য ও ক্রীড়া চক্র ও সাবেক ছাত্রদল নেতা এবং এম এ মান্নান, সভাপতি, সুরুতআলী ঈদগাহ ময়দান।
সভায় বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি কামরুল ইসলাম বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ের অবদানের কথা তুলে ধরেন। বক্তারা বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক ও মেধা বিকাশে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, তাঁর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি বিদ্যালয়ের অভিভাবক কমিটির নেতৃত্বে থাকলে বিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, কামরুল ইসলাম ২০২৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সভাপতি হিসেবে পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয় জেলায় শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি অর্জন করে। এছাড়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ফরিদা ইয়াছমিন শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ২০২৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ২য় রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে ভূষিত হন, যা বিদ্যালয়ের জন্য গৌরবের বিষয়।
পরে উপস্থিত সকলের আলোচনা ও সর্বসম্মতিক্রমে বিদ্যালয়ের অভিভাবক কমিটির সদস্য নির্বাচন করা হয়।
দাতা সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন: মোসলেম উদ্দিন (দাতা পরিবার সদস্য, কেওয়া পশ্চিম খণ্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়)
বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন: হাফিজুল ইসলাম (দাতা পরিবার সদস্য, কেওয়া পশ্চিম খণ্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়)
মহিলা বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন: তানজিলা আক্তার
অভিভাবক সদস্যের মধ্যে নির্বাচিত হন: সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম, সহ-সম্পাদক, দৈনিক চৌকস ও দেলোয়ার হোসেন, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব (বিএনপি)।
মহিলা অভিভাবক সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন: আখি আক্তার ও মাকসুদা আক্তার
এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন।
প্রধান শিক্ষিকা ফরিদা ইয়াছমিন বলেন, “বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার মান বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে অভিভাবক, শিক্ষক ও সমাজের সম্মিলিত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবগঠিত কমিটি বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আমি আশাবাদী।”
সভায় জানানো হয়, বিধি অনুযায়ী বাকি সদস্যদেরও পরবর্তীতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
Reporter Name 





